
মেহরাবের অকাল প্রয়াণে শোকের ছায়া, উপাচার্যের সমবেদনা
প্রকৌশলী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আঙিনায় পথচলা শুরু করেছিলেন মো. মেহরাব হোসাইন। চোখে ছিল ভবিষ্যতের নানা স্বপ্ন, সামনে ছিল দীর্ঘ পথ। কিন্তু সেই স্বপ্নযাত্রা থেমে গেল অকালে। মরণব্যাধি ব্লাড ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে বুধবার ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে মারা গেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের এই শিক্ষার্থী। তাঁর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রুয়েট পরিবারে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬টার দিকে ঢাকার বিআরবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন মো. মেহরাব হোসাইন। তিনি রুয়েটের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের সিএসই বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তাঁর রোল নম্বর ২৫০৩০০৯।
ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই
সিএসই বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, মেহরাব হোসাইন ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছুদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার মধ্যেও তিনি চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। শেষ পর্যন্ত বুধবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সহপাঠী, শিক্ষক ও রুয়েট পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোক নেমে আসে। সম্ভাবনাময় এই শিক্ষার্থীর এমন অকাল মৃত্যুতে সহপাঠীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে গভীর শোক।
রুয়েট উপাচার্যের শোক
মেহরাব হোসাইনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক।
এক শোকবার্তায় উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বলেন, “মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে রুয়েট পরিবার শোকাহত। মহান রাব্বুল আলামিন তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার তৌফিক দান করুন।”
শোকবার্তায় তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
‘মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে রুয়েট পরিবার শোকাহত’
বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরুতেই মেহরাব হোসাইনের এমন অকাল মৃত্যু তাঁর সহপাঠী ও বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জন্য গভীর বেদনার হয়ে এসেছে। একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যতের স্বপ্নকে ঘিরে যে পথচলা শুরু হয়েছিল, অসুস্থতার কাছে তা থেমে যাওয়ায় শোকাহত পুরো রুয়েট পরিবার।
মেহরাব হোসাইনের মৃত্যুতে তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই সঙ্গে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন তাঁরা।


