
রাজশাহী মহানগরীর বোয়ালিয়া ও পবা থানা এলাকায় মাদকদ্রব্য রাখা ও সাইকেল চুরির অভিযোগে গ্রেপ্তার পাঁচজনকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে মাদকদ্রব্য রাখার অপরাধে বোয়ালিয়া থানায় গ্রেপ্তার চারজনকে দুই মাস করে এবং সাইকেল চুরির অপরাধে পবা থানায় গ্রেপ্তার একজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পরে দণ্ডপ্রাপ্তদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।

রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি) সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১টার দিকে বোয়ালিয়া থানা পুলিশ নগরীর অলোকার মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেপ্তার করে। তারা হলেন—ষষ্ঠীতলা (নিউ মার্কেট) এলাকার তাপসের ছেলে শ্রী চন্দন (২৮), সোনাদিঘীর মোড় এলাকার বাপ্পি হালদারের ছেলে গোবিন্দ (২৩), নওগাঁর মান্দা থানার ঠাকুরমান্দা গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে ও বর্তমানে রাজশাহীর শাহমখদুম থানার আমচত্বর এলাকায় বসবাসরত মো. সিয়াম (১৯) এবং বোয়ালিয়া থানার রাজারহাতা (সোনাদিঘীর মোড়) এলাকার লব হালদারের ছেলে দেব (২০)।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে ছয় পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাদের আদালতে হাজির করা হলে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারি ট্রায়াল) কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিচার শেষে চার আসামিকে দুই মাস করে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পবা থানার দাদপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. হাবিবুর রহমানের বাড়ি থেকে একটি সাইকেল চুরি হয়। সাইকেলটি নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় এক ব্যক্তি সেটি চিনতে পেরে পবা থানার বড়গাছি পাকা মাথা গ্রামের মো. জিল্লুর রহমানের ছেলে ওসামা হোসেন ওরফে সোহানকে (২৫) আটক করেন। পরে তাকে সাইকেলসহ মালিকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সাইকেলটি শনাক্ত করেন মালিক।
এ ঘটনায় সাইকেল মালিক পবা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ওসামা হোসেন ওরফে সোহানকে এবং উদ্ধার করা সাইকেলটি হেফাজতে নেয়। পরে তাকে সাইকেলসহ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করেন। বিচার শেষে সোহানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আরএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীতে অপরাধ দমনে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।


