
পূজার আমেজ পেরিয়ে তৃতীয় সপ্তাহে পা রাখলেও প্রেক্ষাগৃহে অব্যাহত রয়েছে চলচ্চিত্র ‘চিরকুট’-এর জয়জয়কার। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নব্বইয়ের দশকের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি দেখতে সিনেমা হলগুলোতে এখনও ভিড় জমাচ্ছেন সব বয়সী দর্শক। এ উপলক্ষে বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে রাজশাহীর গ্র্যান্ড রিভারভিউ সিনেপ্লেক্স চত্বরে হাজির হয়ে সিনেমাটির গল্প ও সার্বিক সাফল্য নিয়ে কথা বলেন ছবির পরিচালক মুনতাসির আকিব ও চিত্রনায়িকা আজিজুন মীম।
সিনেপ্লেক্সের সামনে গণমাধ্যমের সাথে আলাপকালে পরিচালক মুনতাসির আকিব বলেন, “‘সেকালের গল্প, একালের সিনেমা’—এই ভাবনা থেকেই আমরা বর্তমান প্রজন্মের কাছে চিঠির যুগের সেই নিখাদ অনুভূতিগুলো তুলে ধরতে চেয়েছি। রাজশাহীর স্থানীয় দর্শকদের এমন অভূতপূর্ব সাড়া এবং সিনেমাটি ৩য় সপ্তাহেও সফলভাবে প্রদর্শন হতে দেখে আমরা অভিভূত। বিশেষ করে সত্য ঘটনাকে পর্দায় জীবন্ত রূপ দিতে পুরো দল যে পরিশ্রম করেছে, দর্শকের এই ভালোবাসাই তার সেরা স্বীকৃতি।”

ছবিটির নায়িকা আজিজুন মীম নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, “চিঠি বা চিরকুটের মাধ্যমে ভাব আদান-প্রদানের যে নস্টালজিক মায়া গল্পে রয়েছে, দর্শকরা প্রেক্ষাগৃহে বসে সেটি মন থেকে অনুভব করছেন। মুক্তির তৃতীয় সপ্তাহে এসেও দর্শকদের এমন উচ্ছ্বাস ও ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া একজন শিল্পী হিসেবে কাজের সার্থকতা এনে দিয়েছে।”
শো শেষে প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের হওয়া দর্শকরাও তাদের মুগ্ধতার কথা জানান। এক দর্শক বলেন, “স্মার্টফোনের যুগে এই চিঠি আদান-প্রদানের গল্পটা বুকের ভেতর দাগ কেটে গেছে। গল্প ও অভিনয়ে এক মুহূর্তের জন্যও চোখ ফেরানো যায়নি।” আরেক দর্শনার্থী মন্তব্য করেন, পারিবারিক আবহ ও আবেগের নিখুঁত সংমিশ্রণের কারণেই সিনেমাটি সব শ্রেণির মানুষকে ছুঁয়ে যাচ্ছে।
ফিল্ম ম্যানিয়ার ব্যানারে নির্মিত ‘চিরকুট’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন শ্যামল মাওলা ও আজিজুন মীম। এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে রয়েছেন কাজী নওশাবা আহমেদ, সুমন পাটোয়ারীসহ আরও অনেকে। প্রদর্শনের তৃতীয় সপ্তাহেও গ্র্যান্ড রিভারভিউ সিনেপ্লেক্সে নিয়মিতভাবে ছবিটির শো চলছে।


