
স্পোর্টস ডেস্ক
রিয়াল বেতিসের বিপক্ষে ম্যাচের শেষদিকে কিলিয়ান এমবাপ্পের পেনাল্টি আলভারো বায়েস ঠেকিয়ে দেওয়ার পর থেকেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদ সমর্থকদের একাংশ দাবি তুলেছেন, পেনাল্টিটি আবার নেওয়া উচিত ছিল। তাঁদের যুক্তি, এমবাপ্পে শট নেওয়ার আগেই বেতিসের সেন্টার-ব্যাক মার্ক বারত্রা বক্সের ভেতরে ঢুকে পড়েছিলেন। পরে তিনিই বলটি ক্লিয়ার করে কর্নারের বিনিময়ে রিয়ালকে গোলবঞ্চিত করেন।

তবে পেনাল্টিটি পুনরায় নেওয়ার দাবির পক্ষে শক্ত কোনো আইনি ভিত্তি নেই বলে জানিয়েছে স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মুন্দো দেপোর্তিভো।
সংবাদমাধ্যমটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এমবাপ্পে যাতে ফিরতি বলে শট নিতে না পারেন, সে জন্য বারত্রা আগেই লাফিয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু এমবাপ্পে যখন পেনাল্টি স্পট থেকে বলে কিক করেন, তখন বারত্রার পা ডি-বক্সের ভেতরের মাটি স্পর্শ করছিল না। অর্থাৎ, শট নেওয়ার মুহূর্তে তিনি শূন্যে ভাসমান অবস্থায় ছিলেন।
আর এই সূক্ষ্ম বিষয়টিই পুরো বিতর্কের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। কারণ, পেনাল্টি নেওয়ার সময় প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়ের অবস্থান মূল্যায়নের ক্ষেত্রে মাটির সঙ্গে তাঁর সংস্পর্শের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বারত্রা আগে বক্সে প্রবেশ করলেও কিকের মুহূর্তে তাঁর পা মাটিতে ছিল না।
এটি সত্য যে, বারত্রাই প্রথম ডি-বক্সে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁর সময়োচিত লাফের কারণেই শেষ পর্যন্ত বলটি কর্নারে যায় এবং এমবাপ্পে গোল করতে পারেননি। তবে শট নেওয়ার মুহূর্তে বারত্রার পা মাটি স্পর্শ না করায় ঘটনাটি নিয়মভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হওয়ার সুযোগ নেই—মুন্দো দেপোর্তিভোর ব্যাখ্যায় এমনটাই উঠে এসেছে।
ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যতই বিতর্ক হোক, পেনাল্টি পুনরায় নেওয়ার দাবির পেছনে শক্ত আইনি ভিত্তি দেখা যাচ্ছে না। বরং বারত্রা নিয়মের সীমার মধ্যেই অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্তভাবে পরিস্থিতি সামলেছেন।
শেষ পর্যন্ত এই নাটকীয়তার মধ্যেই রিয়াল বেতিসের কাছে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ।
সূত্র: মুন্দো দেপোর্তিভো


