
থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসরে সেরা সুন্দরীর মুকুট জিতেছেন মেক্সিকোর প্রতিযোগী ফাতিমা বশ। অথচ প্রতিযোগিতার প্রথম দিকে তিনি সঞ্চালকের প্রকাশ্য কটাক্ষের শিকার হন। এবারের আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তানজিয়া জামান মিথিলা সেরা ৩০–এ জায়গা করে নিলেও সেরা ১২–এর লড়াইয়ে বাদ পড়েন।

২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয় মিস ইউনিভার্স ২০২৫–এর ফাইনাল পর্ব। বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নেন পাঁচ দেশের সুন্দরী—থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ভেনেজুয়েলা, মেক্সিকো ও আইভরিকোস্টের প্রতিনিধিরা। বিচারকেরা প্রতিযোগীদের দুটি করে প্রশ্ন করার পর তাঁদের উত্তরের ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হয় এবারের মিস ইউনিভার্সকে।
সবশেষে সেরার মুকুট ওঠে মেক্সিকোর ফাতিমার মাথায়। মূল প্রতিযোগিতা শুরুর আগে আয়োজিত হয় প্রিপ্যাজেন্ট অনুষ্ঠান। নিয়ম অনুযায়ী আয়োজক দেশকে কেন্দ্র করে একটি প্রমোশনাল ভিডিও প্রকাশ করতে হয় প্রতিযোগীদের। এ ছাড়া অফিসিয়াল ফটোশুটের বাইরেও তোলা হয় কিছু অতিরিক্ত ছবি, যা সময়মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দিতে পারেননি মিস মেক্সিকো।
এ কারণেই মিস ইউনিভার্স থাইল্যান্ডের পরিচালক নাওয়াত ইতসারাগ্রিসিল তাঁকে সবার সামনে ‘ডাম্বহেড’ বলে কটাক্ষ করেন। তাৎক্ষণিক জবাবে ফাতিমা বলেন, “আপনি আমাকে একজন নারী হিসেবে সম্মান দিচ্ছেন না।” এরপর নাওয়াত নিরাপত্তা কর্মীদের দিয়ে তাঁকে চাপে ফেলার চেষ্টা করেন। কিন্তু ততক্ষণে অন্যান্য দেশের প্রতিযোগীরা ফাতিমার পাশে দাঁড়ান। একসঙ্গে হল ত্যাগ করে প্রতিবাদ জানান তাঁরা। পুরো ঘটনাটি সরাসরি সম্প্রচারিত হচ্ছিল ফেসবুকে।
ঘটনার পর এক সাক্ষাৎকারে ফাতিমা বলেন, “একুশ শতকে এসে একজন নারী কখনোই হাতের পুতুল হয়ে থাকতে পারে না। যা ইচ্ছা তা–ই বলা বা চাপিয়ে দেওয়া যায় না। আমি এখানে এসেছি সব নারীর প্রতিনিধিত্ব করতে। আমাকে অসম্মান করা মানে পুরো নারী জাতিকে অসম্মান করা।”


