
দীর্ঘ ১৭ বছর পর অনুষ্ঠিত রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে দুই প্যানেলের ভোটে উত্তাপ দেখা গেছে। তুমুল হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে সভাপতি পদে জয় পেয়েছেন ‘খ’ প্যানেলের প্রার্থী হাসেন আলী। মাত্র ১৫ ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হন।
নির্বাচনে মোট ২১টি পদের মধ্যে ‘ক’ প্যানেল ১১টি এবং ‘খ’ প্যানেল পেয়েছে ১০টি
শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চেম্বার ভবনে উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। ভোট গণনা শেষে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ফল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও বোয়ালিয়া থানা ভূমি অফিসের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আরিফ হোসেন।
ফলাফলে দেখা যায়, হরিণ প্রতীক নিয়ে হাসেন আলী পেয়েছেন ১,০৪১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ‘ক’ প্যানেলের খন্দকার মিজানুর রহমান (ক্রিকেট ব্যাট প্রতীক) পেয়েছেন ১,০২৬ ভোট।
নির্বাচনে মোট ২১টি পদের মধ্যে ‘ক’ প্যানেল পেয়েছে ১১টি এবং ‘খ’ প্যানেল পেয়েছে ১০টি পদ—যা দুই পক্ষের শক্ত অবস্থানেরই ইঙ্গিত দেয়। সিনিয়র সহসভাপতি পদে ‘ক’ প্যানেলের শামসুর রহমান শান্তন (ঘুড়ি প্রতীক) ১,১৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে সহসভাপতি পদে ‘খ’ প্যানেলের জিয়াউদ্দিন আহমেদ (চশমা প্রতীক) পেয়েছেন ১,০৭৫ ভোট।
পরিচালনা পর্ষদের ১৮টি পরিচালক পদের মধ্যে ১০টিই পেয়েছে ‘ক’প্যানেল। আর ৮টি পেয়েছে ‘খ’প্যানেল। ‘ক’প্যানেল থেকে নির্বাচিত পরিচালকেরা হলেন- রেজাউল করিম, শাহ মো. মাইনুল হোসেন শান্ত চৌধুরী, হাসিবুল আলম, ইমাম মেহেদী, আহসান হাবীব, শাকিলুর রহমান, মো. কামরুজ্জামান, রুহুল আমীন, ফরহাদ হোসেন এবং মোবাশ্বের আলী।
‘খ’প্যানেল থেকে নির্বাচিত পরিচালকেরা হলেন- তৌহিদ হাসান, মাইনুল হক, মো. শামসুজ্জামান, তাসনিম হোসেন, গোলাম সাকলাইন, এ জে এম জান্নাতুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম ও মাহমুদ হাসান।
নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ২,৮৯৮ জন। এর মধ্যে ২,৪৩৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। দীর্ঘদিন পর নির্বাচন হওয়ায় ভোটারদের মধ্যে ছিল উৎসবের আমেজ। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পুরো প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে।


