
রাজশাহী রেঞ্জ ডিআইজির নির্দেশনা ও সার্বিক তদারকীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর থানা, গোমস্তাপুর থানা ও নাচোল থানা এবং নওগাঁ জেলার সদর থানা, নিয়ামতপুর থানা এবং পোরশা থানা এলাকায় “অপারেশন ফার্স্ট লাইট-২” শিরোনামে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। শুক্রবার( ২১ নভেম্বর) রাজশাহী জেলার পুলিশের মুখপাত্র কর্তৃক এক প্রেস বিবৃতিতে এমন তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে গতকাল ২০ নভেম্বর মধ্যরাত হতে ২১ নভেম্বর সকাল ০৮ ঘটিকা পর্যন্ত এ অভিযানের লক্ষ্য ছিল অস্ত্র, বিস্ফোরক ও মাদক উদ্ধার করা, অপরাধী, দুষ্কৃতিকারী, চোর, ডাকাত, অস্ত্রধারী, মাদকের সাথে জড়িত এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করা।
এ অভিযানে দুই জেলা এলাকায় আরআরএফ এবং সংশ্লিষ্ট জেলা মিলিয়ে মোট ২৫০ জন ফোর্স অফিসার মোতায়েন করা হয়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা এলাকায় অতিরিক্ত ডিআইজি (প্রশাসন ও অর্থ), রাজশাহী রেঞ্জ, এর নেতৃত্বে পুলিশ সুপার, চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা এবং পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), রাজশাহী রেঞ্জ সহ প্রায় ১২৫ জন অফিসার-ফোর্স মোতায়েন ছিল। অপরদিকে নওগাঁ জেলা এলাকায় কম্যান্ডেন্ট, আরআরএফ (অতিরিক্ত ডিআইজি) এর নেতৃত্বে পুলিশ সুপার, নওগাঁ জেলা এবং পুলিশ সুপার (ক্রাইম), রাজশাহী রেঞ্জ সহ প্রায় ১২৫ জন অফিসার-ফোর্স মোতায়েন ছিল।
উক্ত অভিযানে মোট ৬৪ জন অপরাধীকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ডাকাত ১১ জন, সন্ত্রাসবিরোধী কার্যকলাপে ০৩ জন, বিস্ফোরক আইনে ০১ জন, গ্রেফতারী পরোয়ানার ১৮ জন, চোর/চিহ্নিত চোর ০৭ জন, নিয়মিত মামলায় ১১ জন, এবং মাদক সংশ্লিষ্টায় ১৩ জন।
অভিযানে ধারালো রামদা ০১টি, লোহার ছুরি ০১টি, হাসুয়া ০৪টি, ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত গাছ কাটার ইলেকট্রিক করাত ০১টি, লোহার রড-০৮টি, ট্যাপেন্ডাডল ১০০ পিস, চোলাই মদ ৪৬লিটার, ইয়াবা২০পিস, গাঁজা৪৫০ গ্রাম উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাজশাহী জেলার পুলিশের মুখপাত্র জানান, উক্ত অভিযানটি একটি চলমান প্রক্রিয়া, এটি চলমান থাকবে। এতে করে অত্র এলাকার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে এবং অপরাধ প্রবণতা হ্রাস পাবে বলে আমাদের বিশ্বাস বলেও জানান তিনি।


