
গণভোট জাতীয় নির্বাচনের আগেই না কি একই দিনে হবে, তা নিয়ে উত্তপ্ত রাজনৈতিক অঙ্গন। নির্বাচনের আগে গণভোটসহ পাঁচ দফা দাবিতে এরইমধ্যে রাজপথে নেমে পড়েছে জামায়াত নেতৃত্বাধীন আট রাজনৈতিক দল। আবার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির রায় ঘোষণার দিন ধার্য নিয়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ১৩ নভেম্বর ঢাকায় লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়েছে।

গত কয়েকদিনে রাজপথে চলেছে নানা ধরনের অপতৎপরতা। বাসে আগুনসহ রাজধানী জুড়ে বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণে জনমনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।প্রশ্ন উঠেছে, জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি, গণভোট নিয়ে বড় দুটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে দ্বন্দ্ব যখন প্রকাশ্যে, তখনই আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি এবং রাজপথে এসব অপতৎপরতা কীসের আলামত? জাতীয় নির্বাচন বানচালের চেষ্টা হচ্ছে কি না? যদি সেটাই সত্যি হয়, এই অপতৎপরতা চালাচ্ছে কারা?
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে আতঙ্ক ছড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরোনো কিছু ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, এসব ভিডিও লকডাউন কর্মসূচি সফল করতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী সমর্থকদের অংশগ্রহণের। যদিও ফ্যাক্টচেকে তা পুরোনো বলে জানা যায়।
ঢাকার বিভিন্ন স্থানে একের পর এক বাসে অগ্নিসংযোগ, বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জনমনে। তবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে।


