
রাজশাহী সিটি পশুর হাটকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টালসহ গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদকে “সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে হাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (২৬ মে) সিটি হাটের প্রধান কার্যালয়ে রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে হাটের ইজারাদার কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বলা হয়, কোনো রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে নয়, বরং সরকারি উন্মুক্ত টেন্ডারে অংশ নিয়ে সর্বোচ্চ রাজস্ব প্রদান করেই তারা হাটের বৈধ ইজারা পেয়েছেন। এ বিষয়ে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করা হয়।
“মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” সংবাদের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
সংবাদ সম্মেলনে অংশীদার রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বলেন, হাটে কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা চাঁদাবাজি নেই। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে নামমাত্র রাজস্ব দিয়ে যারা নিয়মবহির্ভূতভাবে হাট নিয়ন্ত্রণ করেছে এবং বিপুল রাজস্ব হারিয়েছে, তারাই নিজেদের স্বার্থে “হলুদ সাংবাদিকতা”র মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
ইজারাদার কর্তৃপক্ষের দাবি, সরকারের নির্ধারিত টোল চার্ট অনুযায়ীই আদায় করা হচ্ছে এবং অতিরিক্ত অর্থ নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কেউ অতিরিক্ত টোল আদায়ের প্রমাণ দেখাতে পারবে না বলেও তারা উল্লেখ করেন। হুন্ডি বা অন্য কোনো অবৈধ ব্যবসার সঙ্গে হাট কর্তৃপক্ষ কিংবা সংশ্লিষ্ট কারও কোনো সম্পর্ক নেই বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
ইজারাদার আলহাজ্ব শওকত আলী ও তাঁর সহযোগীদের সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে এই ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে দাবি করে বক্তারা বলেন, এতে হাটের ক্রেতা-বিক্রেতা ও রাজশাহীবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ সময় প্রশাসন ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকদের প্রতি সরেজমিনে তদন্ত করে সত্যতা যাচাইয়ের আহ্বান জানানো হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ছাড়া উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সংবাদ প্রকাশ করা হলে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে আরো অংশীদার নাজির হাসান, রুহুল আমিন টুনু, আমিনুল ইসলাম আমিনসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।


