
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর উদ্যোগে ‘জুলাই সনদের ভিত্তিতে নির্বাচন ও পিআর (প্রতিনিধিত্বমূলক) পদ্ধতি’ চালুসহ ৫ দফা দাবিতে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজশাহী নগরীর জিরো পয়েন্ট থেকে আলুপট্টি এবং জিরো পয়েন্ট থেকে নিউমার্কেট রোড পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকায় এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশগ্রহণ করেন সহস্রাধিক নেতাকর্মী।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দেশে চলমান একদলীয় নির্বাচনী প্রক্রিয়া গণতন্ত্রের জন্য হুমকি। এ থেকে মুক্তি পেতে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন। এই পদ্ধতির মাধ্যমে সকল ভোটারের মতামতের মূল্যায়ন হয় এবং দলীয় মনোনয়ন বাণিজ্য, পেশীশক্তির দাপট ও রাজনৈতিক সহিংসতা হ্রাস পায়। বক্তারা আরও বলেন, পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় সংসদে ছোট দল, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, নারী, ধর্মীয় সংখ্যালঘু ও নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব। এতে করে সংসদে সমাজের বিভিন্ন স্তরের কণ্ঠস্বর প্রতিফলিত হয় এবং রাজনৈতিক বৈচিত্র্য বাড়ে।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও রাজশাহী মহানগরের আমীর ড. মাওলানা কেরামত আলী। সঞ্চালনায় ছিলেন মহানগর জামায়াতের যুব বিভাগ সেক্রেটারি সালাউদ্দিন আহমেদ। এ সময় বক্তব্য রাখেন মহানগর জামায়াতের নায়েবে আমীর অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, নায়েবে আমীর ও রাজশাহী সদর-২ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. মোহাম্মাদ জাহাঙ্গীর, সেক্রেটারি ইমাজ উদ্দিন মন্ডল, সহকারী সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাহবুবুল আহসান বুলবুল, প্রচার ও মিডিয়া সেক্রেটারি শাহাদৎ হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিন সরকার, রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, শিল্প ও বাণিজ্য সেক্রেটারি অধ্যাপক এ কে এম সারওয়ার জাহান প্রিন্স, তারবিয়াত সেক্রেটারি হাফেজ নুরুজ্জামান, এবং সহকারী প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান আশু প্রমুখ।
বক্তারা আরও বলেন, বিশ্বের বহু উন্নত দেশে পিআর পদ্ধতির নির্বাচন কার্যকর রয়েছে এবং তা দেশগুলোতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গঠনে সহায়ক হয়েছে। বাংলাদেশেও এই ব্যবস্থা চালু করে জনগণের প্রকৃত রায় প্রতিফলনের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।


