
রাজশাহী মহানগরীর ২৬ নং ওয়ার্ডের মেহেরচন্ডী এলাকার ফারুক হোসেন ও তার পরিবার কতৃক রাজশাহী সিটি প্রেস ক্লাবে বেলা ১১ টায় জোরপূর্বক জমি দখল করে রাস্তা করার অভিযোগে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন পরিবেশন করা হয়। রবিবার (১২ অক্টোবর) রাজশাহী মহানগর জামায়াত মতিহান থানা আমীর অধ্যাপক মোজাম্মেল হকের স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।
স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটি মিথ্যা সংবাদ সম্মেলনের মাধম্যে মহানগর জামায়াতকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করা হয়েছে। মতিহার থানা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ঘটনাটি সরজমিনে সাংবাদিকদের তদন্ত করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। আমি মোজাম্মেল হক বা মিলন বা মতিহার থানা জামায়াতের কেউ এই ঘটনার সাথে জড়িত নয়। উক্ত ঘটনার সাথে জামায়াতের কোন সম্পর্ক নেই। তবে এলাকায় বিগত কয়েক বছর ধরে সালিশী বিচারের মাধ্যমে আমরা বিষয়টি জানি। এই নিয়ে সাবেক কাউন্সিলর আখতারুজ্জামান কোয়েলের কার্যলয়ে ফায়সালাও হয়েছিলো যার স্বাক্ষরিত প্রমাণ আছে।

অদ্য ১৯/০৭/২০১৯ ইং তারিখ রোজ শক্রবার সকাল ১০.০০ ঘটিকায় সময় প্রথম পক্ষ মোঃ আনিসুর রহমান দিং ও দ্বিতীয়পক্ষ মোঃ ফারুক হুসাইন এবং অত্র এলাকার গন্যমান্য বক্তিবর্গের সমন্বয়ে ও সমাজ প্রধান, চার সাভেয়ার দ্বারা, ওয়ার্ড কাউন্সিলর মহোদয়ের সভাপতিত্বের মাধ্যমে মেহেরচন্ডী পূর্বপাড়ায় এক সালিশী বৈঠক অনুষ্টিত হয়।
উভয়ের উপস্থিতির মাধ্যমে একটি সঠিক সমাধান হয়েছিলো। এই সমাধান উভয় পক্ষ মেনে নিয়েছিলো এবং স্বাক্ষর দিয়েছিলো। শর্ত ছিলো, এক সপ্তাহের মধ্যে উক্ত প্রাচিরটি নিজ উদ্যোগে সরিয়ে নেবেন। একদিন পরে ফারুক হুসাইন ও তার ভাই হায়দার আলী সাবেক কাউন্সিলর আখতারুজ্জামান কোয়েলের কার্যলয়ে এসে একমাস সময় চেয়ে নেন। এক মাস অতিক্রম হওয়ার পর আবার তারা কোয়েলের কাছে ১৫ দিন সময় চায়।
কিন্তু ১৫ দিন অতিবাহিত হবার পরে, উভয়ের সম্মতিতে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য গ্রাম্যশালীসের আহ্বান করা হয়। কিন্তু নির্দিষ্ট দিনে ফারুক বা তার পক্ষ হতে কেউ উপস্থিত না হওয়ায় বিষয়টি অমীমাংসিত থেকে যায়। পরবর্তীতে একাধিকবার বললেও তারা স্থানীয়ভাবে বসতে চাইনি।


