
স্টাফ রিপোর্টার: রাকিবুল ইসলাম
।

বিক্ষোভ মিছিলটি কেশরহাট পৌরসভা বাজারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা ঘটনাটিকে ‘নৃশংস ও ন্যাক্কারজনক’ উল্লেখ করে বলেন, কেশরহাট পৌরসভার সাঁকোয়া গ্রামের ঈদগাহ মাঠে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে ৬৮ বছর বয়সী আলাউদ্দিন নিহত হন। তিনি স্থানীয় মডেল মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং জামায়াতে ইসলামীর একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন।
বক্তারা অভিযোগ করেন, একজন নিরীহ ও ধর্মপ্রাণ মানুষকে এভাবে নির্মমভাবে হত্যা করা অমানবিক এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। তারা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। অন্যথায় আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রাজশাহী জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাজশাহী জেলা শূরা সদস্য এফ এম ইসমাইল আলম আল হাছানী।
মোহনপুর উপজেলা জামায়াতের আমীর জি এম আব্দুল আওয়ালের সভাপতিত্বে কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নায়েবে আমীর হাসান আলী, আবুল কালাম আজাদ, হাফিজুর রহমান আকন্দ, সেক্রেটারি আব্দুল গফুর মৃধা, সহকারী সেক্রেটারি শাহ জামাল, কেশরহাট পৌরসভা আমীর আব্দুল জলিল, সেক্রেটারি মুখলেসুর রহমানসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের আমীর, সেক্রেটারি এবং বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
উল্লেখ্য, সাঁকোয়া এলাকায় ঈদগাহ মাঠে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে সংঘর্ষ বাধে। এতে গুরুতর আহত হন আলাউদ্দিন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে এবং পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের ঘটনা এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করছে। তারা সকল পক্ষকে সংযত থাকার পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দ্রুত ও নিরপেক্ষ পদক্ষেপ কামনা করেছেন।


