
স্টাফ রিপোর্টার: রাকিবুল ইসলাম

রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম নেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার প্রতিবাদে আজ ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫ শুক্রবার বিকাল ৩ টায় বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহনপুর উপজেলা শাখা কর্মসূচি পালিত হয়।
মিছিলটি মোহনপুরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা থানার গেটে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থানীয় সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশ নেন। ওসমান হাদী হত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “এ দেশে আর কোনো অন্যায়-অবিচার চুপচাপ মেনে নেওয়া হবে না। বৈষম্য, দমন-পীড়ন, স্বৈরাচার এবং হত্যার বিরুদ্ধে ছাত্রসমাজ সবসময় রাজপথে ছিল এবং থাকবে। শহীদ ওসমান হাদী ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।” তারা আরও বলেন, “শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার আদায় করে ছাড়ব। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ভারতীয় আধিপত্য ও দেশীয় স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে।”
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মোহনপুর উপজেলা আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ বলেন, “শহীদ ওসমান হাদী ছিলেন গণ-অভ্যুত্থানের সাহসী যোদ্ধা। তার হত্যা দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে দমিয়ে রাখার ষড়যন্ত্র। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি করছি।”
সদস্য সচিব ইয়াহিয়া মৃধা বলেন, “এ হত্যাকাণ্ড শুধু একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়, এটি পুরো ছাত্রসমাজ ও জনগণের বিরুদ্ধে আঘাত। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাব এবং বিচার না হওয়া পর্যন্ত রাজপথ ছাড়ব না।”
মূখ্য সংগঠক ওয়াতাসিম বিল্লাহ বলেন, “ভারতীয় আধিপত্যের বিরুদ্ধে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ওসমান হাদী সোচ্চার ছিলেন। তার আদর্শকে ধারণ করে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।”
বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে ছিলেন।


