
মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভা মেয়র নির্বাচনকে ঘিরে উৎসাহ-উদ্দীপনা বাড়ছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা এফ এম ইসমাইল আলম হাছানী আজ এক সাক্ষাৎকারে জনগণের কল্যাণকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে ‘স্মার্ট কেশরহাট’ গড়ার দৃঢ় অঙ্গীকার করেছেন। সভাপতি, বাংলাদেশ মাজলিসুল মুফাসসিরিন (রাজশাহী বিভাগ), রাজশাহী জেলা শূরা সদস্য এবং বেলঘরিয়াহাট ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ হিসেবে পরিচিত এই প্রার্থী বলেন, “একজন মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হলে জনগণ ও জনগণের কল্যাণের বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে এগিয়ে যাব।”

মাওলানা ইসমাইল আলম হাছানী আরও বলেন, “স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাপক উন্নয়ন আনব। কমিউনিটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে আধুনিকায়ন করে জনগণ যাতে কোনো দুর্ভোগ না পায়, সেজন্য সর্বাত্মক কাজ করব। কেশরহাটের তরুণ প্রজন্মের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। মেয়র হলে সব দল-মতের মানুষের জন্য সমানভাবে কাজ করব। পুরো এলাকার পরিচ্ছন্নতাকে প্রাধান্য দিয়ে নিরাপদ পানীয় পানি ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করব। স্মার্ট একটি পৌরসভা তৈরির জন্য সর্বদা কাজ করে যাব।”
পৌরসভার উন্নয়ন, সুশাসন, নাগরিক সেবা ও তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গঠনমূলক পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “কেশরহাটকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও সমৃদ্ধ নগরীতে রূপান্তর করা হবে। রাস্তাঘাট, আলোকায়ন, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে।”
কেশরহাট পৌরসভার স্থানীয় বাসিন্দা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, “মাওলানা ইসমাইল আলম হাছানী একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান নেতা। তাঁর নেতৃত্বে কেশরহাটের দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, স্বাস্থ্যসেবার অভাব ও বেকারত্ব দূর হবে বলে আমরা আশাবাদী। তিনি সবার জন্য সমান সেবা নিশ্চিত করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
যুব বিভাগের তরুণ নেতা হাসান বলেন, “আমাদের তরুণ প্রজন্মের সবচেয়ে বড় সমস্যা কর্মসংস্থানের অভাব। মাওলানা সাহেবের প্রতিশ্রুতি অনুসারে স্থানীয় শিল্প-কারখানা ও স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র গড়ে তোলা হলে হাজারো যুবকের ভাগ্য বদলে যাবে। তাঁর স্বপ্নের ‘স্মার্ট কেশরহাট’ আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি আদর্শ নগরী হয়ে উঠবে।”
স্থানীয় জনগণের মধ্যে এখন ব্যাপক আলোচনা চলছে যে, জামায়াত মনোনীত এই প্রার্থী শুধু নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবে তা বাস্তবায়নের জন্য দৃঢ় সংকল্প নিয়ে এগোচ্ছেন। মোহনপুর উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পৌরসভা কেশরহাটের উন্নয়নে এই নির্বাচন একটি টার্নিং পয়েন্ট হতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
মাওলানা এফ এম ইসমাইল আলম হাছানী তাঁর বক্তব্য শেষে বলেন, “জনগণের আস্থা অর্জন করে একটি স্বচ্ছ, দুর্নীতিমুক্ত ও উন্নয়নমুখী পৌরসভা গড়ে তুলব। কেশরহাটের প্রতিটি নাগরিক যেন সুস্থ, সুখী ও সমৃদ্ধ জীবন পায়, সেজন্য আমি নিরন্তর কাজ করে যাব।”
নির্বাচনী প্রচারণার মাধ্যমে প্রার্থী এখন সরাসরি জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে তুলছেন।


