

ফলে নতুন কারখানা স্থাপন বা সম্প্রসারণের ঝুঁকি কেউ নিতে চাচ্ছেন না। রাজনৈতিক অস্পষ্টতা, ব্যাংক খাতের দুর্বলতা এবং উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংকগুলোও নতুন ঋণ দিতে অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করছে। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির (প্রায় ৮.২৬%) কারণে সাধারণ মানুষের কেনার ক্ষমতা কমে গেছে, যার ফলে বাজারে পণ্য ও সেবার চাহিদাও মন্দা। ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির কারণে রপ্তানিবাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিআই)-সভাপতি তাসকিন আহমেদ জানান, বিনিয়োগকারীদের আস্থা ও পরিচালনগত সক্ষমতা পুনরুদ্ধার না করে শুধু সুদের হার কমালেই বেসরকারি খাতের ঋণগ্রহণ পুনরুজ্জীবিত হবে না। তিনি বলেন, সুদের হার কমানোর কারণ হলো ঋণ গ্রহণে উৎসাহিত করা, কিন্তু ব্যবসায়ীরা তখনই বিনিয়োগ করবেন, যখন তারা পর্যাপ্ত চাহিদা, স্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং বিনিয়োগের ওপর যুক্তিসঙ্গত মুনাফা দেখতে পাবেন।

