

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে মামলার বাদী চাকরির স্থলের পানির ফিল্টারের জরুরি সার্ভিসের কাজে যাওয়ার সময় নতুন বাজার এলাকায় পৌঁছালে গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে অস্ত্রোপচার করা হয়।
আবেদনে বলা হয়, এ মামলায় তদন্তে গ্রেপ্তার আসামির ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার আগে তাকে ঘটনাস্থলের আশপাশে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতেও দেখা যায় বলে তদন্তে জানা গেছে। তিনি জামিনে মুক্তি পেলে পলাতক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সুতরাং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।
এদিকে আসামি সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের সহযোগী মেহেদী হাসান দিপু ওরফে বিপুকে বাড্ডা থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
গ্রেপ্তারের আবেদনে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে মেহেদী হাসান দিপু ওরফে বিপুর (৪০) এ ঘটনায় জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে।


