
জানালেন, একসময় নাটকের মঞ্চে নায়ক হিসেবে অভিনয় করতেন বর্তমান রাষ্ট্রপতি; আবৃত্তিতেও ছিল তাঁর দারুণ দক্ষতা।

মির্জা ফখরুলের অভিনয় প্রতিভার কথাও বিশেষভাবে স্মরণ করেছেন ছটকু আহমেদ। তাঁর ভাষায়, ‘সুঠাম সুন্দর ভরাট কণ্ঠের অধিকারী আলমগীর সাহেব নায়কের অভিনয় করতেন, আবৃত্তি করতেন। হল হাততালিতে ফেটে পড়ত।’ এরপর চাকরির সুবাদে ঠাকুরগাঁও ছেড়ে ঢাকায় চলে আসেন ছটকু আহমেদ।
সময়ের ব্যবধানে তাদের দেখা হয় আরো একবার, জিয়া শিশু একাডেমির একটি অনুষ্ঠানে। তত দিনে মির্জা ফখরুল বিএনপির মহাসচিব। সেই সাক্ষাতের স্মৃতিচারণা করে ছটকু আহমেদ লেখেন, ‘আমাকে সামনে বসা দেখে ডেকে স্টেজে তুলে নিলেন। বিশেষ সম্মাননা কমল পদক তুলে দিলেন।’
সম্প্রতি ঠাকুরগাঁও নাট্যসমিতি আয়োজিত ‘এই লভিনূ সঙ্গ তব’ অনুষ্ঠানে নিজের নাট্যজীবনের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ছটকু আহমেদের নামও উল্লেখ করেছেন বলে জানান এই নির্মাতা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক শ্রোতা পরে তাঁকে বিষয়টি মেসেজ করে জানান।
দীর্ঘদিনের পরিচিত মানুষটির রাষ্ট্রপতি হওয়ার খবরে আবেগঘন ভাষায় অভিনন্দন জানিয়েছেন ছটকু আহমেদ। তিনি লেখেন, ‘অসাধারণ মানবিক ও সংস্কৃতিবান এবং কিংবদন্তি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আলমগীর সাহেব এখন দেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি আজ কোনো দলের নন, রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি।’
তিনি আরো লেখেন, ‘আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভ কামনা। মহান আল্লাহ পাক তাকে সুস্থতা, প্রজ্ঞা, বিচক্ষণতা ও শক্তি দান করুন, যেন তিনি দল-মত-নির্বিশেষে দেশের মানুষের কল্যাণ, গণতন্ত্রের মর্যাদা এবং জাতীয় ঐক্যের জন্য নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে কাজ করতে পারেন।’
ছটকু আহমেদের এই স্মৃতিচারণায় উঠে এসেছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের রাজনৈতিক জীবনের বাইরের এক ভিন্ন পরিচয়। রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আগে নাটকের মঞ্চে অভিনয় ও আবৃত্তিতে যুক্ত থাকা সেই মানুষটির সঙ্গে দীর্ঘদিনের পরিচয়ের নানা মুহূর্তই স্মৃতির পাতায় তুলে ধরেছেন বরেণ্য এই নির্মাতা।


