
কাতারে হামাস নেতাদের ওপর নজিরবিহীন হামলার পর ইসরায়েল সফরে গেছেন দেশটির মিত্র যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। এই সফরে তিনি হামাসের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অবিচল সমর্থনের কথা তুলে ধরেছেন। স্থানীয় সময় আজ রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ইসরায়েল সফরে যান রুবিও।
কাতারে অবস্থান করে হামাস নেতারা গাজায় যুদ্ধ পরিচালনা করছে–এমন অভিযোগ এনে গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) দোহায় সামরিক অভিযান চালায় ইসরায়েল। এই হামলা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কারণ এই হামলার ফলে গাজায় যুদ্ধবিরতির চেষ্টা আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েলে পৌঁছানোর পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও জেরুজালেমের ওয়েস্টার্ন ওয়ালে প্রার্থনা করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। রুবিওর এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো ইসরায়েলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন আরও একবার নিশ্চিত করা। এই সফরে তিনি বিভিন্ন ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়ে আন্তর্জাতিক চাপ ও কিছু দেশের পরিকল্পনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের পাশে আছে বলে জানা যায়।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই হামলার ব্যাপারে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও রুবিও বলেছেন, এর কারণে ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের কোনো পরিবর্তন হবে না। তিনি আরও জানান, যুদ্ধবিরতির চেষ্টা নিয়ে দুদেশের মধ্যে আলোচনা করা হবে। অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার সামরিক অভিযানের পক্ষে সাফাই গেয়েছেন।
এদিকে সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ফিলিস্তিন–ইসরায়েলের জন্য দুই রাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। অবশ্য এই প্রস্তাব ইসরায়েল প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ছাড়া ফ্রান্স ও ব্রিটেনসহ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনকে একটি রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা ভাবছে। এই পরিস্থিতিতে রুবিওর ইসরায়েল সফরকে বেশ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


