
জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে সাংস্কৃতিক ভিত্তি দেওয়ার মাধ্যমে জাতির ‘কালেকটিভ মেমোরি’ গড়ে তুলতে লেখক, শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে বলে মত দিয়েছেন বক্তারা। তারা বলেন, প্রবন্ধ, গল্প, উপন্যাস, নাটক, চলচ্চিত্র, চিত্রকলা ও অন্যান্য সৃজনশীল মাধ্যমের মাধ্যমে জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস ও চেতনাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে জাগ্রত রাখতে হবে।
শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেলে রাজশাহী মহানগরীর সাধারণ গ্রন্থাগার মিলনায়তনে জুলাই বিপ্লবের দ্বিতীয় বার্ষিকী উপলক্ষে পরিচয় সংস্কৃতি সংসদ আয়োজিত আলোচনা সভা ও ‘লাল জুলাই’ শীর্ষক কবিতা পাঠ অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট কথাশিল্পী নাজিব ওয়াদুদ। প্রধান অতিথি ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ্ হাসান নকীব।
কবি ও গবেষক ড. ফজলুল হক তুহিন এবং কবি আবদুর রাজ্জাক রিপনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচয় সংস্কৃতি সংসদের সভাপতি কবি ও গবেষক অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কবি ও সাহিত্য সমালোচক খুরশীদ আলম বাবু, কবি ও সম্পাদক সায়ীদ আবুবকর, ড. কামাল মাহমুদ, ড. মতিউর রহমান এবং কথাসাহিত্যিক মঈন শেখ।
বক্তারা বলেন, জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে ভূলুণ্ঠিত করার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। পতিত স্বৈরাচারকে পুনর্বাসনের অপচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জুলাইয়ের চেতনায় বিশ্বাসী মানুষ ও জুলাই যোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ থেকে গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
আলোচনা শেষে ‘লাল জুলাই’ শীর্ষক কবিতা পাঠ অনুষ্ঠিত হয়। এতে কবিতা আবৃত্তি করেন কবি এরফান আলী এনাফ, জামাল দ্বীন সুমন, সোহেল করিম দিপু, অনু চৌধুরী, আমিনা খাতুন লাইলী, অভী মণ্ডল, সোহেল মাহবুব, মঈন শেখ, আবদুস শাকুর তুহিন, জোহরুল ইসলাম, শেখ তৈমুর আলম, ড. মতিউর রহমান, আবুল কালাম আজাদ, সানারুল ইসলাম বাহার, মুহাম্মদ আলী, সেলিম আল সাঈদ, সরদার মুক্তার আলী, ফারহানা শারমিন জেনী, ড. মঞ্জিলা শরীফ, রজব আলী, সুফিয়া ডেইজি, সোহেল রানা জীবন, তারেক আলী, মাহমুদ হোসেন, শেখ মুহাম্মদ আলমগীর, মামুন হোসাইন আলভী, নাজমুশ শাবাব, নয়ন শেখ, সামিন ইয়াসার মাহি, আহমাদ যুবায়ের, আবদুল আজিম ও মাহমুদুর রহমান।


