
মৌসুমী দাস, চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার শলুয়ার হাজী আব্দুস সাত্তার প্রামাণিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষা-২০২৬ এ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৪ আগস্ট) সকাল ১০ টায় হাজী আব্দুস সাত্তার প্রামাণিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জান্নাতুল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা একাডেমিক সুপার ভাইজার রাহেদুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট-বাঘা আসনের সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, চারঘাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র জাকিরুল ইসলাম বিকুল, চারঘাট মডেল থানার (ওসি) মাহাবুবুর রহমান, চারঘাট পৌর বিএনপির সভাপতি মোমিনুল হক মমিন, হাজী আব্দুস সাত্তার প্রামাণিক ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান অলিভ, বাশিস উপজেলা শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে অনুষ্ঠানে এসএসসি, দাখিল ও ভোকেশনাল পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য আবু সাইদ চাঁদ কৃতী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, জিপিএ-৫ পাওয়া তোমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এই সাফল্যকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
তিনি শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহারে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মোবাইল ফোন জ্ঞান অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তবে মোবাইলের অপব্যবহার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল ব্যবহার করতে হবে এবং পড়াশোনার সময় মোবাইল থেকে দূরে থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমের চর্চা করতে হবে। অভিভাবক ও শিক্ষকদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও এমপির বিশেষ সহকারী জালাল উদ্দীন, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির হোসেন মুকুট সহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, ফাউন্ডেশনের সদস্য, সাংবাদিক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
সবশেষে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা সনদ ও একটি করে গাছের চারা তুলে দিয়ে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়।


