
“এসো মিলি শেকড়ের টানে, রাবিয়ানরা একসাথে” স্লোগানকে সামনে রেখে একদিকে বাঙালির পিঠা উৎসব, অন্যদিকে মতিহারের সবুজ চত্বরের স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়েছে ওয়াশিংটন ডিসিতে। শনিবার (১০ জানুয়ারী) ভারজিনিয়ায় পিঠা উৎসবের আয়োজন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন অফ ওয়াশিংটন ডিসি। সব মিলিয়ে আবেগী এক অনুষ্ঠান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে যা মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

পিঠা উৎসব শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে। তেলাওয়াত করেন, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এস এম জাহিদুর রহমানের কন্যা জাফরা রহমান এবং তরজমা করেন সিনিয়র সদস্য আব্দুল হাই সিদ্দিকের পুত্র।
ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত সম্মিলিতভাবে পরিবেশনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা।
বার্ষিক রিপোর্ট পেশ করেন ট্রেজারার জাহিদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জোহরুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আজিমা আজমাল ও সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা এস এম জাহিদুর রহমান।
অনুষ্ঠানে নবাগত ডাক্তার রোকনুজ্জামান, ডাক্তার সুরাইয়া চৌধুরী, লামিয়া ও ফৌজিয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান উপদেষ্টা ড. নজরুল ইসলাম, সভাপতি জোহরুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক আজিমা আজমল। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহ-সভাপতি আবু জাফর।
হাজার বছরের বাঙালি ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে হরেক রকমের পিঠার পসরা সাজিয়ে উৎসবের আয়োজন করা হয়। হরেক রকমের পিঠাপুলির মধ্যে ছিল- পাটিসাপটা, ঝাল পুলি, পাকন পিঠা, সাবুদানার পিঠা, ফুলঝুরি, নকশী পিঠা, দুধ চিতই, ঝাল পিঠা, চন্দ্রপুলি, নারিকেল পুরি, কলার পিঠা, ভাপা পিঠাসহ হরেক রকমের পিঠা যা উৎসবের আমেজে ষোলকলা পূর্ণ করেছে।
পিঠা উৎসব অনুষ্ঠানে কবিতা পাঠ করে সংগঠনের সেক্রেটারি আজিমা আজমল এবং সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা
সদস্য ফাতেমা সিদ্দিক এবং মোনামি নিতু।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশনা করেন ইয়াসমিন আরা রুপালি, ওয়াশিংটন ডিসির জনপ্রিয় শিল্পী অসিম রানা। নাচ করেন এলামনাই লামিয়া কন্যা রিদি ও এলামনাই লাকির পুত্র।
অনুষ্ঠানে চাপাইনবয়াবগঞ্জ ঐতিহ্যবাহী গম্ভীরা গান পরিবেশন করা হয়। বিকাল-সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত পর্যন্ত চলে সংস্কৃতিক আয়োজন।


