
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্লান’ শ্লোগানের ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি কৃষি উন্নয়ন ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। কৃষি উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার আত্মনির্ভর, প্রযুক্তিনির্ভর ও জলবায়ু-সহিষ্ণু কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছে। কৃষককে উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থাকে তথ্যনির্ভর করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, কৃষি খাতে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া কৃষিঋণ মওকুফ, ভর্তুকি, সেচ সুবিধা এবং কৃষি যন্ত্রপাতি সহজ শর্তে সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সার সরাসরি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে এবং উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। পাশাপাশি কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষকবাজার’ স্থাপনের কাজ চলছে।
জলবায়ু পরিবর্তন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ দেশ হওয়ায় বন্যা, নদীভাঙন, খরা ও লবণাক্ততা মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে নদী ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, উপকূলীয় সুরক্ষা এবং বড় অবকাঠামো প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে এবং জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের মাধ্যমে গবেষণা ও অভিযোজন কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে কৃষি ও জলবায়ু খাতে আধুনিক প্রযুক্তি, পরিকল্পিত বিনিয়োগ এবং দীর্ঘমেয়াদি কৌশলের মাধ্যমে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।


