
আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ও স্বাধীনতার প্রতি অকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে চীন। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই শনিবার (১০ মে) এক টেলিফোন আলাপে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দারকে এ আশ্বাস দেন। ইসলামাবাদ পরিস্থিতি নিয়ে মিত্রদেশগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ কূটনৈতিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে। যেখানে শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর জোর দিচ্ছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, আলাপের সময় ইশাক দার বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে পাকিস্তান যে সংযম প্রদর্শন করছে, তা চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রশংসার সঙ্গে উল্লেখ করেন।

ওয়াং ই বলেন, ‘কৌশলগত সহযোগী ও আস্থাভাজন বন্ধু হিসেবে চীন পাকিস্তানের পাশে আছে এবং থাকবে। ’
একই দিনে ইশাক দার সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ বিন জায়েদ এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গেও কথা বলেন। এই আলাপচারিতায় তিনি সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং পাকিস্তানের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন।
শেখ আব্দুল্লাহ পাকিস্তান-ভারতের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। এর আগে ভারত ও পাকিস্তান ‘পূর্ণ ও তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি’র ঘোষণা দেয়, যা মার্কিন মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয় বলে জানানো হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘোষণা দেন এবং বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগেই এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে। ’
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও দুই দেশের নেতৃত্বকে ‘দূরদর্শী ও শান্তিপ্রিয়’ হিসেবে অভিহিত করেন।
এই যুদ্ধবিরতির কিছুক্ষণ আগেই ভারত ও পাকিস্তান একে অপরের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায়। ফলে পরিস্থিতি গুরুতরভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই পাকিস্তান ফের জম্মু ও কাশ্মীরে হামলা করেছে বলে জানিয়েছে ভারতের সংবাদমাধ্যমগুলো।


