
রাজশাহী প্রতিনিধি:
পদ্মা নদীতে ঝাওগাছ বোঝাই নৌকাডুবির ঘটনার ২১ ঘণ্টা পার হলেও এখনো নিখোঁজ বাবা ও ছেলের সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজদের উদ্ধারে বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। স্রোতের তীব্রতার কারণে উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
পদ্মা নদীতে ঝাওগাছ বোঝাই নৌকাডুবির ঘটনার ২১ ঘণ্টা পার হলেও এখনো নিখোঁজ বাবা ও ছেলের সন্ধান মেলেনি। নিখোঁজদের উদ্ধারে বুধবার (২৯ জুলাই) সকাল থেকে দ্বিতীয় দিনের মতো উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। স্রোতের তীব্রতার কারণে উদ্ধারকাজে বেগ পেতে হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে পবা উপজেলার চরখানপুর এলাকার পদ্মার চর থেকে ঝাওগাছ বোঝাই করে ফিরে আসার পথে তীব্র স্রোতের মুখে পড়ে নৌকাটি ডুবে যায়। এতে নিখোঁজ হন পবা উপজেলার শ্যামপুর শান্তিনগর এলাকার বাসিন্দা আফছার আলী (৬০) ও তার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম (৪০)। তবে এ ঘটনায় জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম (৫৫) অলৌকিকভাবে প্রাণে বেঁচে যান।
রাজশাহীর বড়কুঠি সংলগ্ন পদ্মা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটলেও নদীর তীব্র স্রোতের বিষয়টি মাথায় রেখে আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকায় সন্ধান চালাচ্ছে রাজশাহী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল।
নিখোঁজ জিয়ারুলের মা জাহেরা বেগম বিলাপ করতে করতে বলেন, ‘পানিতে ডুবে গেলে তো মানুষ ভেসে ওঠে। কিন্তু তাদের এখনো পাওয়া গেল না। আল্লাহ জানে তাদের সঙ্গে শেষ দেখা আর হবে কিনা।’ তার এই আর্তনাদে নদী পাড়ের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী সদর ফায়ারসার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর ফরহাদ হোসেন জানান, ‘নদীতে প্রচণ্ড স্রোত রয়েছে। আজ সকালে উদ্ধার অভিযান শুরু করার কথা থাকলেও প্রয়োজনীয় নৌকা পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। নৌকা আসার পরপরই আমরা পুরোদমে অভিযান শুরু করেছি। ফায়ার সার্ভিসের টিম নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া স্থানীয় থানাগুলোর সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখা হচ্ছে, যাতে নদীতে কারো সন্ধান পাওয়া মাত্রই আমাদের জানানো হয়।


