
প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন যে, সক্রিয় রাজনীতিতে প্রবেশ বা নিজে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছে তার নেই। সম্প্রতি মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বার্নামাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই কথা বলেন।
ড. ইউনূস বলেন, তার প্রধান কাজ হলো সংস্কারের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। তিনি মনে করেন, গত এক বছরে অনেক কিছু অর্জন হয়েছে এবং এর মধ্যে সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ঐকমত্য কমিশন গঠন। এই কমিশন নির্বাচন-সংক্রান্ত সংস্কার প্রতিবেদন এই মাসের শেষে জমা দেবে, যা একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থা গঠনে সহায়ক হবে।

তিনি জানান, ঐকমত্য কমিশনকে রাজনৈতিক স্পর্শকাতর বিষয়গুলো নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সম্মতি আদায়ের দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে। ড. ইউনূস বলেন, “রাজনৈতিক বিষয়ে, আপনার একটি ঐকমত্য প্রয়োজন। সংসদ এককক্ষ বিশিষ্ট নাকি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট হবে—এটি নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে।”
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত বলে জানান ড. ইউনূস। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, এবারের নির্বাচন আগের তিনটি ‘মিথ্যা’ নির্বাচনের চেয়ে ভালো হবে। তিনি বলেন, “অনেক বছর পর প্রথমবারের মতো, জনগণ একটি নির্বাচন পাবে। কারণ আগের নির্বাচনগুলো ছিল ‘মিথ্যা’ নির্বাচন। কেউ ভোটকেন্দ্রে যায়নি। মানুষ জানে না ভোটকেন্দ্রে কী হয়েছে।” তিনি আশা করেন, যারা হাসিনার আমলে ভোট দিতে পারেননি, তাদের জন্য এবারের নির্বাচনটি অনেক বড় হবে।


