
স্টাফ রিপোর্টার: রাকিবুল ইসলাম
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার কেশরহাট পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী সাবেক কাউন্সিলর এনামুল হক বলেছেন, পৌরবাসীর সার্বিক উন্নয়ন ও একটি আধুনিক, পরিকল্পিত নগরী গড়ে তোলাই তার প্রধান লক্ষ্য।

দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকার কারণে এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে এনামুল হকের। সাক্ষাৎকারে তিনি তার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।
এনামুল হক বলেন, “১৯৮৪ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্ররাজনীতিতে যুক্ত হই। রায়ঘাটি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, পরবর্তীতে ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। বিগত দিনে নানা প্রতিকূলতা ও নির্যাতন সত্ত্বেও বিএনপির আদর্শে অটল ছিলাম এবং সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছি।”
স্থানীয় সরকারে তার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “২০০২ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত টানা ৮ বছর কেশরহাট পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। এ সময়ে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ করেছি। এ অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পুরো পৌরসভাকে আধুনিক নগরীতে রূপান্তর করতে চাই।”
মেয়র নির্বাচিত হলে তার ঘোষিত পরিকল্পনা সম্পর্কে এনামুল হক বলেন, “প্রথমেই পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তুলব এবং বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করব। আধুনিক সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ, বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, তরুণদের জন্য খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বৃদ্ধি, যানজট নিরসনে গোলচত্বর নির্মাণ এবং আধুনিক সুপার মার্কেট স্থাপন করব।”
তিনি আরও বলেন, “কেশরহাট পৌরসভাকে সবার জন্য বাসযোগ্য, পরিচ্ছন্ন ও উন্নত একটি পৌর এলাকায় পরিণত করতে চাই। জনগণের সমর্থন পেলে তাদের প্রত্যাশা পূরণে নিরলসভাবে কাজ করে যাব। উন্নয়ন কোনো একক ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল। সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।”
স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এনামুল হকের মেয়র প্রার্থিতা ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা, এলাকার মানুষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাকে অনেকে তার শক্তি হিসেবে দেখছেন। কেশরহাট পৌরসভা নির্বাচনকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে।
এনামুল হকের এই ঘোষণা ও পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে পৌরবাসীর জীবনযাত্রার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।


