
মৌসুমী দাস, চারঘাট (রাজশাহী) প্রতিনিধিঃ
ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি, আর সেই সাথে নতুন কাপড় পরিধান। ঈদকে সামনে রেখে নতুন পোশাক বানাতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার দর্জি কারিগররা।

বিভিন্ন উৎসবে-পার্বণে দর্জির কাছে পছন্দের পোশাক বানানোর রীতি-রেওয়াজ বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ। তাই দর্জির দোকানে ভিড় করছেন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ।
সরেজমিনে চারঘাট উপজেলার বেশ কয়েকটি দর্জির দোকানে ঘুরে দেখা গেছে, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের দর্জি দোকানগুলোতে পুরোদমে চলছে হাতের তৈরি পোষাকের কাজ। এসকল দোকানে দোকানে চলছে নতুন পোষাক তৈরির হিড়িক। মেঝেতে কাপড়ের স্তুপ। দেয়ালেও ঝুলছে নানা রঙ ও নকশার বানানো পোশাক। সেলাই মেশিনের একটানা খটখট আওয়াজ চলছে। এর মধ্যেই নেয়া হচ্ছে নতুন পোশাকের অর্ডার। একই সঙ্গে চলছে মাপ অনুয়ায়ী কাপড় কাটার কাজও।
কয়েকজন দর্জির সাথে কথা বলে জানা গেছে, আমরা ১৫ রোজার পর থেকে পোষাক তৈরির অর্ডার আর নেবো না। কারণ এত অল্প সময়ের মধ্যে ক্রেতাদের কথামত পোশাক ডেলিভারি দিতে পারবো না। যে অর্ডার নেয়া আছে সেগুলো সম্পন্ন করতেই ঈদের আগের দিন পর্যন্ত লেগে যাবে।
তারা আরো বলেন, মহিলাদের পোশাক তৈরি বেড়েছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে। বছরের অন্য সময়ে দর্জিদের তেমন অর্ডার হয় না। ঈদের মৌসুমে বাড়তি কাজের অর্ডার হয়, বাড়তি আয়ও করা যায়।
ক্রেতারা জানান, ঈদুল ফিতর আসতে আর তেমন সময় নেই। যারা রেডিমেট পোশাক তেমন পছন্দ করেন না বা নিজের পছন্দ মতো মাপে ও ডিজাইনে পড়তে অভ্যস্ত, তারা ভিড় করছেন দর্জি দোকানগুলোতে।
পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে এমন কর্মচাঞ্চল্যে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো চারঘাট উপজেলায়।


